
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানিয়েছেন, বন্যার কারণে সাপের কামড়ে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়লেও এখন পর্যন্ত সাপে কাটা কোনো রোগী মারা যায়নি।
“এলাকাগুলোতে মাইকিং করা হয়েছে। বন্যার কারণে জঙ্গল থেকে সাপ আসে। নদী থেকে বিষাক্ত সাপ আসে। বৃহস্পতিবার থেকে সিভিল সার্জনদের প্রস্তুত করা হয়েছে। যাতে সাপে কাটা রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে আনা যায়। প্রথম রাতে পাঁচ জনকে সাপে কেটেছিল। চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে,” ঢাকায় সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয়ভাবে এক হাজার ভাওয়েল অ্যান্টি ভেনম মজুত রাখার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে একুশ হাজার ভাওয়েল অ্যান্টি ভেনম রাখা হয়েছে। “এছাড়া আগামী পনের দিনে আরও ২৫ হাজার ভাওয়েল অ্যান্টি ভেনম আসবে”।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মোট এগারটি জেলা এখন বন্যা কবলিত। এগুলো হলো- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, নোয়াখালী , লক্ষীপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া। এর মধ্যে চট্টগ্রামে মোট ৯৫ জনকে সাপে কেটেছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, বন্যা কবলিত জেলাগুলোতে পর্যাপ্ত পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও স্যালাইন মজুত রাখা হয়েছে। এছাড়া ১১ জেলার সব স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।