
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও জর্জিনা রদ্রিগেজের বিয়ে হচ্ছে—এমন গুজবে পর্তুগালের মাদেইরা দ্বীপে প্রায় ২ হাজার মানুষের ভিড় জমে যায়। তবে শেষ পর্যন্ত সেখানে রোনালদো-জর্জিনার বিয়ে হয়নি; বরং অন্য এক দম্পতির বিয়েকে ঘিরেই তৈরি হয় এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি।
মাদেইরার রাজধানী ফুনশালের একটি ক্যাথেড্রালে শনিবার একটি বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা পোস্ট ও গুজবের ভিত্তিতে অনেকেই ধরে নেন, সেখানে গোপনে বিয়ে করতে যাচ্ছেন রোনালদো ও তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী জর্জিনা রদ্রিগেজ।
গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর ক্যাথেড্রালের আশপাশে ভক্ত ও সাংবাদিকদের ভিড় বাড়তে থাকে। অনেক সমর্থক রোনালদোর জার্সি পরে সেখানে হাজির হন। কেউ কেউ প্রিয় তারকার বিয়ের মুহূর্ত সামনে থেকে দেখার আশায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্যাথেড্রাল থেকে বেরিয়ে আসেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বর-কনে। তারা হলেন পর্তুগিজ নাগরিক ফাবিও রামোস ও ফাতিমা নিকোল কুনহা তেইশেইরা, যারা বর্তমানে ফ্রান্সে বসবাস করেন। তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানই ভুল করে রোনালদোর বিয়ে বলে ধরে নিয়েছিলেন উপস্থিত জনতা।
হঠাৎ বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে ওই দম্পতির ব্যক্তিগত বিয়ের অনুষ্ঠানও একপর্যায়ে অনাকাঙ্ক্ষিত জনসমাগমে পরিণত হয়। বর-কনেকে ঘিরে ভক্তদের ভিড় তৈরি হয় এবং অনেকে তাদের ছবি তুলতে থাকেন।
ক্যাথেড্রাল কর্তৃপক্ষও পরে স্পষ্ট করে জানায়, রোনালদোর নামে সেখানে কোনো বিয়ের বুকিং ছিল না। অর্থাৎ রোনালদো ও জর্জিনার বিয়ের সঙ্গে ওই অনুষ্ঠানের কোনো সম্পর্কই ছিল না।
রোনালদো ও জর্জিনার বিয়ে নিয়ে অবশ্য আগে থেকেই নানা জল্পনা চলছিল। ২০২৫ সালে তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়। সম্প্রতি রোনালদোর হাতে আংটি এবং জর্জিনার বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট ঘিরে নতুন করে বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
তবে ফুনশালের ওই ঘটনার দিন রোনালদো-জর্জিনার কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়নি। বরং ভুল তথ্যের কারণে অন্য এক দম্পতির বিশেষ দিনটি অপ্রত্যাশিতভাবে হাজারো মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে চলে আসে।