
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার সকালে রাজধানীর প্রায় ১০০টি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষা স্থগিতের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন পরীক্ষার্থীরা।
১১তম গ্রেডের ২৪২টি পদের বিপরীতে এ নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল। আগের রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে এবং সেটি ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র বলে অভিযোগ ওঠে। সকালে পরীক্ষা দিতে এসে স্থগিতের খবর জানতে পেরে অনেক পরীক্ষার্থী বিভিন্ন কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন-৫) মাজহারুল হক জানান, তিনি নিজেও একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ছিলেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনিবার্য কারণবশত পরীক্ষা স্থগিতের বার্তা পান। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁরা কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।
পরীক্ষা স্থগিতের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাজধানীর মিরপুরের বাঙলা কলেজ, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর আড়ং মোড় ও নীলক্ষেত মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে প্রার্থীরা বিক্ষোভ করেন। পরে একদল পরীক্ষার্থী মতিঝিলের দিলখুশায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বাসে করে পরীক্ষার্থীরা সেখানে যান।
একই সময়ে রাজধানীর একাধিক এলাকায় বিক্ষোভ হওয়ায় বিভিন্ন সড়কে যানজট তৈরি হয়। এতে সাধারণ যাত্রীদের চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে।
তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার রফিকুল ইসলাম জানান, বেলা পৌনে ১২টার দিকে প্রার্থীরা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ অবরোধ করেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর তাঁরা সড়ক ছেড়ে দেন।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরীক্ষা স্থগিত করা হলেও নতুন পরীক্ষার তারিখ বা পরবর্তী আয়োজন সম্পর্কে প্রতিবেদনে কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। পরীক্ষার্থীদের দাবি ও অভিযোগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন নজর থাকবে।