ঢাকা | বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে প্রায় তিনগুণ দামে এলএনজি কিনছে সরকার

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 15, 2026 ইং
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে প্রায় তিনগুণ দামে এলএনজি কিনছে সরকার ছবির ক্যাপশন: মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বেড়ে যাওয়ায় চড়া দামে জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। ছবি: রয়টার্স
ad728

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের তুলনায় প্রায় তিনগুণ দামে জ্বালানি আমদানি করছে বাংলাদেশ।

আগামী ২৭-২৮ অক্টোবর সময়ের জন্য সিঙ্গাপুরভিত্তিক ভিটল এশিয়া পিটিই লিমিটেড থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৯ দশমিক ৭৯৫ ডলার দরে এক কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

সোমবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্তের তথ্য জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ।


ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম ছিল প্রায় ১০ ডলার।

সেই তুলনায় বর্তমানে প্রায় ৩০ ডলারে এলএনজি কিনতে হচ্ছে সরকারকে। ফলে একই পরিমাণ জ্বালানি আমদানিতে আগের তুলনায় ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ ও পরিবহনব্যবস্থায় অস্থিরতার কারণে এলএনজির দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।


অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ৯-১০ অক্টোবরের জন্য যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড থেকে আরও এক কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় এই এলএনজি কেনা হবে। এতে প্রতি এমএমবিটিইউয়ের দাম পড়বে ২৮ দশমিক ৯৫ ডলার।

অর্থাৎ অক্টোবরের দুই দফা এলএনজি আমদানিতেই প্রতি এমএমবিটিইউয়ের দাম প্রায় ২৯ থেকে ৩০ ডলারের মধ্যে থাকছে।


এ ছাড়া সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ড্যারাব ইনক থেকে দুই কার্গো এবং মাইন্ড মিঙ্গেল এলএলসি থেকে আরও দুই কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

ড্যারাব ইনক থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ১৭ ডলার দরে এবং মাইন্ড মিঙ্গেল এলএলসি থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ১৯ ডলার দরে এসব এলএনজি কেনা হবে।


দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আমদানিনির্ভর এলএনজির ওপর নির্ভর করতে হয় বাংলাদেশকে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহ ও দামে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় সেই আমদানির ব্যয়ও বেড়েছে।

বিশেষ করে যুদ্ধের আগে প্রতি এমএমবিটিইউ প্রায় ১০ ডলারের যে দাম ছিল, তা এখন কয়েকটি কার্গোর ক্ষেত্রে ২০ থেকে ৩০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এতে দেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার পাশাপাশি সরকারের জ্বালানি আমদানি ব্যয়ের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কালের দাবি ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সন্ত্রাসী, মাফিয়া ও চাঁদাবাজদের দৌরাত্মে জনগণকে জিম্মি হতে দ

সন্ত্রাসী, মাফিয়া ও চাঁদাবাজদের দৌরাত্মে জনগণকে জিম্মি হতে দ