ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃত ১,৪৩০, নিখোঁজের তালিকায় ৫১ হাজারের বেশি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 27, 2026 ইং
ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃত ১,৪৩০, নিখোঁজের তালিকায় ৫১ হাজারের বেশি ছবির ক্যাপশন: ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের তিন দিন পরও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত
ad728

ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের তিন দিন পরও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৪৩০ জনে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

গত বুধবার রিখটার স্কেলে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে দেশটির উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা শেষের পথে থাকায় উদ্ধারকারীরা সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সরকারি উদ্ধারকারী দলের সংখ্যা সীমিত হওয়ায় অনেক স্থানীয় বাসিন্দা খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে স্বজনদের খোঁজার চেষ্টা করছেন। যদিও সরকার ব্যাপক উদ্ধার অভিযান পরিচালনার দাবি করেছে, তবে স্থানীয়দের অভিযোগ—দুর্গত এলাকায় পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তা পৌঁছায়নি।

জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার হওয়া প্রতিটি মানুষই অলৌকিক ঘটনা। তিনি জানান, দুর্ঘটনার প্রকৃত চিত্র জনগণের কাছে গোপন করা হবে না।

অন্যদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ বলেছেন, সরকার সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিয়ে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল ও মানবিক সহায়তাকে স্বাগত জানিয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) আশঙ্কা করছে, এ দুর্যোগে প্রায় ৬৭ লাখ ৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। সংস্থাটির মহাপরিচালক অ্যামি পোপ বলেছেন, নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে এবং জরুরি মানবিক সহায়তা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক রেড ক্রস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর বহু মানুষ এখনো নিজেদের বাড়িতে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না। আফটারশকের আশঙ্কা এবং ভবন ধসে পড়ার ঝুঁকি তাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

শনিবার ভেনেজুয়েলা সরকার জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযানে সহায়তার জন্য ১ হাজার ৬০০ বিদেশি উদ্ধারকর্মী দেশটিতে পৌঁছেছেন। তবে আন্তর্জাতিক উদ্ধার সংস্থাগুলোর মতে, সীমিত সরঞ্জাম ও জনবলের কারণে অনেক এলাকায় এখনো কার্যকর উদ্ধার অভিযান চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

রাজধানী কারাকাস ও লা গুয়াইরা অঞ্চলে মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় হাজারো পরিবার তাদের স্বজনদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পাচ্ছেন না। ফলে নিখোঁজ ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কালের দাবি ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের অর্জন

তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের অর্জন