সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো অনুমোদনের পর বেসরকারি খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য দ্রুত জাতীয় ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন এবং ন্যায্য মজুরি কাঠামো প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি।
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দেওয়া এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে দলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর হলে বেসরকারি খাতের কয়েক কোটি শ্রমিক-কর্মচারীর বেতন না বাড়ালে দেশে বড় ধরনের বৈষম্য ও ভারসাম্যহীনতা তৈরি হতে পারে। তাঁর মতে, বেসরকারি খাতের অনেক শ্রমিকের বর্তমান আয় দিয়ে মাসের ১৫–২০ দিন চলাও কঠিন।
সাইফুল হক বলেন, নতুন বেতনকাঠামোর ফলে একদিকে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে প্রকৃত আয় কমে যাওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। খাদ্যপণ্য, বাসাভাড়া, পরিবহনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যয় আরও বাড়লে স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়বে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, মূল্যস্ফীতি ও বাজার নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে শুধু বেতন বাড়িয়ে মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে না। তাঁর ভাষায়, এতে বেতনের টাকার অঙ্ক বাড়লেও বাস্তবে চাকরিজীবীদের ক্রয়ক্ষমতা বিশেষ বাড়বে না।
এ কারণে সরকারি বেতন বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেসরকারি খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন এবং দ্রুত একটি ন্যায্য মজুরি কাঠামো প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছে দলটি। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি ও বাজার নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে।