রেমিটেন্স ও রপ্তানি আয়ের ধারাবাহিক প্রবাহে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার কার্যদিবস শেষে বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ০১ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৭ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ বাড়ায় রিজার্ভে নতুন করে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
এর আগে গত ২৯ জুন বিশ্বব্যাংকের বাজেট সহায়তা ঋণের ৬৬ কোটি ৭১ লাখ ডলার যোগ হওয়ার পর রিজার্ভ বেড়ে ৩২ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল। আর ১৪ জুন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ১ বিলিয়ন ডলারের বাজেট সহায়তা ঋণ যুক্ত হওয়ার পর রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ আমদানি ব্যয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব।
তবে আগামী সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু)-এর আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ কিছুটা কমে আসতে পারে। যদিও এবার আকুকে কত অর্থ পরিশোধ করতে হবে, সে হিসাব এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বিশ্লেষকদের মতে, ধারাবাহিক রেমিটেন্স প্রবাহ, রপ্তানি আয় এবং বৈদেশিক ঋণের অর্থ ছাড় অব্যাহত থাকলে আগামী মাসগুলোতেও রিজার্ভ স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
কালের দাবি ডেস্ক