ঢাকা | বঙ্গাব্দ

খামেনির শেষ বিদায়ে লাখো মানুষের ঢল, ছিলেন না নতুন সর্বোচ্চ নেতা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 5, 2026 ইং
খামেনির শেষ বিদায়ে লাখো মানুষের ঢল, ছিলেন না নতুন সর্বোচ্চ নেতা ছবির ক্যাপশন: বাসস
ad728

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের পাশাপাশি লাখো মানুষ অংশ নিলেও সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল একটি অনুপস্থিতি—খামেনির ছেলে ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

রোববার (৫ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির শেষ বিদায়ের দ্বিতীয় দিনের আনুষ্ঠানিকতায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ কর্মকর্তাসহ দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। তবে চলতি বছরের মার্চের শুরুতে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে জনসমক্ষে না আসা মোজতবা খামেনিকে এদিনও দেখা যায়নি। ইরানি সূত্রগুলোর দাবি, ২৮ ফেব্রুয়ারির বিমান হামলায় তার বাবা নিহত হওয়ার সময় তিনিও আহত হয়েছিলেন। যদিও তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

অন্যদিকে, প্রয়াত আলি খামেনির অপর তিন ছেলে—মাসুদ, মোস্তফা ও মেইসাম খামেনি—জানাজায় উপস্থিত ছিলেন। গ্র্যান্ড মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত জানাজায় ইমামতি করেন বিশিষ্ট শিয়া আলেম আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি। পরে খামেনির মরদেহ রাজধানীজুড়ে নির্ধারিত শোকযাত্রার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সংরক্ষিত স্থানে নেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর আনুষ্ঠানিকতায় এক কোটিরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণের আশা করা হচ্ছে। সকাল থেকেই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ও আশপাশের সড়কে শোকার্ত মানুষের ঢল নামে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে আগতদের জন্য খাবার ও পানীয়ের ব্যবস্থাও করা হয়। অনেককে ইরানের জাতীয় পতাকা ও প্রয়াত নেতার প্রতিকৃতি হাতে দেখা যায়।

নিরাপত্তার স্বার্থে রাজধানীজুড়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে পদদলিত হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও সতর্কবার্তা দিয়েছে সরকারি গণমাধ্যম। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের চিকিৎসাকেন্দ্রে আট হাজারের বেশি মানুষ বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। তবে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত ফুটেজে পার্লামেন্ট স্পিকার ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এবং কুদস ফোর্সের প্রধান ইসমাইল কানিকেও জানাজায় অংশ নিতে দেখা যায়।

ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিনের পাশে ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় নিহত তার পরিবারের আরও চার সদস্যের কফিন রাখা হয়। নিহতদের মধ্যে তার এক শিশু নাতনিও ছিল।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কালের দাবি ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য
কালের দাবি ডেস্ক

কালের দাবি ডেস্ক

ফ্রান্স-নরওয়ে ম্যাচে রেকর্ডের হাতছানি, আলোচনায় এমবাপে-হলান্ড

ফ্রান্স-নরওয়ে ম্যাচে রেকর্ডের হাতছানি, আলোচনায় এমবাপে-হলান্ড