ঢাকা | বঙ্গাব্দ

নারী-শিশু নির্যাতন মামলায় বিচার দ্রুত করতে হাইকোর্টের গতি, এক মাসে ১০ রায়

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 18, 2026 ইং
নারী-শিশু নির্যাতন মামলায় বিচার দ্রুত করতে হাইকোর্টের গতি, এক মাসে ১০ রায় ছবির ক্যাপশন: নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ বেঞ্চে এক মাসে ১০টি রায় ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। ফাইল ছবি।
ad728


নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মামলাগুলোর নিষ্পত্তিতে গতি এসেছে। এ ধরনের মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরিচালনা করে গত এক মাসে ১০টি রায় ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট।

দেশজুড়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত কয়েকটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ জুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে একটি বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন। এই বেঞ্চে কেবল ডেথ রেফারেন্স ও সংশ্লিষ্ট আপিল শুনানি করা হচ্ছে।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে মোট ২০টি ডেথ রেফারেন্স ও আপিল মামলা শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে গত ১৪ জুন থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত মাত্র এক মাসে ১০টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এসব মামলার মধ্যে শরীয়তপুরের স্কুলছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যা, পিরোজপুরের ঝর্ণা হত্যা এবং কয়েকটি স্ত্রী হত্যা মামলাও রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে গঠিত বিশেষ আইনজীবী দলের সদস্য ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক বাসসকে জানান, বিশেষ বেঞ্চে দায়িত্ব পালনের প্রথম মাসেই ১০টি মামলার রায় হওয়া বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নির্দেশনায় রাষ্ট্রপক্ষ কোনো শুনানিতে সময় আবেদন বা মুলতবি চায়নি। একই সঙ্গে আদালতের সক্রিয় ভূমিকার কারণেই দ্রুত রায় দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

এদিকে রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স গত ১৬ জুন বিশেষ বেঞ্চে উঠলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দেন আদালত।

এ ছাড়া বহুল আলোচিত ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলা এবং মাগুরার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলাও বর্তমানে একই বেঞ্চের কার্যতালিকায় রয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এসব মামলার শুনানি শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। এ কারণে বিচারিক আদালতের রায় ও মামলার নথিপত্র ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে আসে এবং আসামির আপিলের সঙ্গে একযোগে শুনানি শেষে চূড়ান্ত রায় দেওয়া হয়।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কালের দাবি ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতার উদ্যোগ : মির্জা ফখরুল

গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতার উদ্যোগ : মির্জা ফখরুল