ঢাকা | বঙ্গাব্দ

১২ কেজি এলপিজিতে ২৫২ টাকা বাড়ল, নতুন দাম ১,৮৩৭

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 4, 2026 ইং
১২ কেজি এলপিজিতে ২৫২ টাকা বাড়ল, নতুন দাম ১,৮৩৭ ছবির ক্যাপশন: অক্টোবর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১,৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি।
ad728

অক্টোবর মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যা থেকে এ দাম কার্যকর হবে।

আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বিইআরসি জানিয়েছে, অক্টোবরের মূল্য নির্ধারণে সৌদি আরামকোর প্রোপেন ও বিউটেনের সৌদি চুক্তি মূল্য (সিপি) বিবেচনা করা হয়েছে। প্রোপেনের দাম টনপ্রতি ৬৮০ ডলার এবং বিউটেনের দাম ৭৩০ ডলার ধরায় গড় সৌদি সিপি দাঁড়িয়েছে ৭১২.৫০ ডলার।

এ ছাড়া শিপিং ও ট্রেডার প্রিমিয়াম বাবদ টনপ্রতি ২৫০ ডলার এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১২৩.১৮ টাকা গড় বিনিময় হার হিসাবের মধ্যে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। ফলে এক মাসের ব্যবধানে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত দামে বড় ধরনের বৃদ্ধি হলো।

অক্টোবরের জন্য অটোগ্যাসের ভোক্তা পর্যায়ের দামও নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। নতুন দর প্রতি লিটার ৮৪.৬২ টাকা। রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল আকারে সরবরাহ করা এলপিজির ভোক্তা পর্যায়ের দাম ভ্যাটসহ প্রতি কেজি ১৪৯.৩১ টাকা এবং প্রতি ঘনমিটারের দাম ৩৩১.৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে সরকারি মালিকানাধীন এলপিজির ১২.৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ডিলার ও খুচরা পর্যায়ে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এ সিলিন্ডারের দাম ৭৭৬.৯৩ টাকা।

এদিকে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগের মধ্যেই নতুন মূল্য সমন্বয়ের ঘোষণা এলো। ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে বিইআরসি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করলেও কোথাও কোথাও ভোক্তাদের ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০৮ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে।

এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব) অবশ্য দেশে এলপিজির কোনো ঘাটতি নেই বলে দাবি করেছে। সংগঠনটির ভাষ্য, স্থানীয় চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত এলপিজি আমদানি হচ্ছে। আগস্টে প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার টন এবং সেপ্টেম্বরে প্রায় ১ লাখ ৫৬ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।

লোয়াব তাদের সদস্য কোম্পানি, পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিইআরসি নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে।

অন্যদিকে, দেশের কিছু এলাকায় সরবরাহ সংকট দেখিয়ে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি বা ভোক্তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার।

ফলে নতুন দাম ঘোষণার পরও এলপিজির বাজারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত মূল্য ও খুচরা বাজারের দামের পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। একদিকে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা পর্যাপ্ত আমদানির কথা বলছেন, অন্যদিকে কিছু এলাকায় সরবরাহ ঘাটতির অভিযোগ এবং ভোক্তাদের কাছ থেকে বাড়তি দাম নেওয়ার বিষয়টি এখনো আলোচনায় রয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কালের দাবি ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
টাংগাইলে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক জননেতা সা

টাংগাইলে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক জননেতা সা