ঢাকা | বঙ্গাব্দ

তানজিদের সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৫৩ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 14, 2026 ইং
তানজিদের সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৫৩ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ ছবির ক্যাপশন: অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশের ইনিংসকে এগিয়ে নেন তানজিদ হাসান।
ad728

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইন টেস্টে দ্বিতীয় দিন শেষে ১৫৩ রানের লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। ওপেনার তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি এবং অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ৮৪ রানের ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে দিন শেষে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান করেছে সফরকারীরা।

দিনের শেষ পর্যন্ত ক্রিজে আছেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ। মিরাজ ৩২ এবং হাসান ১৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন।

ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে প্রথম দিনেই ১৯৮ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। জবাবে দিন শেষে ১ উইকেটে ৯৬ রান করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন শুরুতে ৯ উইকেট হাতে নিয়ে ১০২ রানে পিছিয়ে ছিল টাইগাররা।

দ্বিতীয় দিন তানজিদ হাসান ও মোমিনুল হক বাংলাদেশের ইনিংস এগিয়ে নেন। দ্বিতীয় উইকেটে দুজনের ১৮৯ বলের জুটিতে আসে ১০২ রান।

হাফ-সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়ে অবশ্য ফিরে যান মোমিনুল। অস্ট্রেলিয়ার পেসার জশ হ্যাজেলউডের বলে আউট হওয়ার আগে ৮টি চারে ৪৯ রান করেন তিনি।

মোমিনুলের বিদায়ের পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন তানজিদ। তৃতীয় উইকেটে ১৫৭ বলে দুজন যোগ করেন ৯৩ রান। এই জুটিতেই টেস্টে নিজের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তানজিদ এবং শান্ত তুলে নেন ক্যারিয়ারের সপ্তম টেস্ট ফিফটি।

শান্তর সঙ্গে জুটি গড়ার পথে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তানজিদ। ১৮৮ বলে তিন অঙ্কে পৌঁছানোর পথে তিনি মারেন ৮টি চার ও একটি ছক্কা।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যাটার হলেন তানজিদ। এর আগে ২০০৬ সালে ফতুল্লা টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৩৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন শাহরিয়ার নাফীস।

সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তানজিদ। নাথান লায়নের বলে মিচেল স্টার্কের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ১০১ রানের ইনিংস দিয়ে থামে তার দারুণ ব্যাটিং।

তানজিদের বিদায়ের পর অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস এগিয়ে নেন শান্ত। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ৮৪ রানে থামেন অধিনায়ক।

দলীয় ২৯৭ রানে হ্যাজেলউডের বলে স্লিপে স্টিভেন স্মিথের হাতে ক্যাচ দেন শান্ত। ১২৬ বলে ৭টি চার ও একটি ছক্কায় ৮৪ রান করেন তিনি। মুশফিকের সঙ্গে তার জুটিতে আসে ৬৬ রান।

এরপর দ্রুত দুটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মাত্র ২৩ বলের ব্যবধানে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসকে ফেরান অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা। মুশফিক ৩৬ রান করে প্যাট কামিন্সের এবং লিটন কোনো রান না করে স্টার্কের বলে স্লিপে স্মিথের হাতে ক্যাচ দেন। ৩০৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

ষষ্ঠ উইকেট পতনের পর আর কোনো উইকেট নিতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। দিনের বাকি সময় বোলারদের সামলে ১৪৭ বলে অবিচ্ছিন্ন ৪৩ রানের জুটি গড়েন মেহেদি হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ।

দিনের শেষ বলেই অবশ্য জীবন পান মিরাজ। মার্নাস লাবুশেনের করা ওভারের শেষ বলে গালিতে মিরাজের ক্যাচ ফেলেন ক্যামেরন গ্রিন।

মিরাজ ৩২ রানে অপরাজিত, তার ইনিংসে রয়েছে তিনটি চার। হাসান মাহমুদ ১৩ রানে অপরাজিত আছেন।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজেলউড দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কালের দাবি ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জামায়াত থেকে গাজী নজরুল ইসলাম বহিষ্কার

জামায়াত থেকে গাজী নজরুল ইসলাম বহিষ্কার