বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের পশ্চিমাংশের বিভিন্ন পয়েন্টে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ‘পুশইন’ কার্যক্রমে মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
তিনি বলেন, বিএসএফ শিশু ও নারীসহ কয়েকশ মানুষকে বলপ্রয়োগ করে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে, যা সীমান্ত এলাকায় চরম মানবিক সংকট তৈরি করেছে। অনেককে সীমান্তের শূন্য রেখায় ফেলে দেওয়া হয়েছে, ফলে খাদ্য, পানীয় ও চিকিৎসার অভাবে তাদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকে ভারতের বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা নতুন মাত্রা পেয়েছে, যার ফলে সীমান্ত পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সাইফুল হক দাবি করেন, সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে এবং বিএসএফের এসব কর্মকাণ্ড তাদের বাংলাদেশবিরোধী ও আগ্রাসী মনোভাবের প্রতিফলন।
তিনি আরও বলেন, বৈধ নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইনগত প্রক্রিয়া রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে জোরপূর্বক ‘পুশইন’ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।
তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাইলে অবিলম্বে সীমান্তে ‘পুশইন’ ও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে।
কালের দাবি ডেস্ক